‘দ্য লাইফ সেভিং ফোর্স বাহিনীর’ মিডিয়া চিফ মোহাম্মদ শাহ জাহান শিকদার এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, অন্দোলনের সময় ঢাকা, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ, চট্টগ্রাম ও রংপুরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে।
বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ভবন, সেতু ভবন, জন সংযোগ প্রকৌশল ভবন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মিতা ভবন, মিরপুর ও উত্তরার পুলিশ বক্সসহ বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা ও আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
.png)
দুর্বৃত্তরা গত ১৮ ও ১৯ জুলাই রামপুরা টিভি ভবনসহ সরকারি বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। তারা সেতু ভবন, বিটিভি ভবন, সরকারি গাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনায় ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে। রাজধানীর রামপুরা রোড, মিরপুর-১০ নম্বর মোড, উত্তরার হাউজবিল্ডিং, আজমপুর, খালপাড়, বিমানবন্দর গোলচত্বর, বনানী, মহাখালি, বাড্ডা নতুন বাজার, আশুলিয়া রোড, পল্টন, গুলিস্তান, কাকরাইল, মালিবাগ, হাতিরঝিল, প্রেসক্লাব মোড়, হাইকোর্ট মাজার, টিএসসি, কাঁটাবন, শাহবাগ এলাকায় রোডের ডিভাইডারের বিভিন্ন অংশের গাছ, ফুলের টব উপরে ফেলেছে। ভেঙ্গে ফেলেছে ডিভাইডারের বিভিন্ন স্থানের দেয়াল।
সরকারি প্রতিষ্ঠানের শতাধিক গাড়ি, অসংখ্য মোটর সাইকেল, কম্পিউটার, আসবাবপত্রে আগুন লাগিয়েছে তারা। এছাড়া মেট্রোরেল স্টেশন ভাংচুর করে বিভিন্ন মালামাল তছনছ এমন কি লুটপাট করা হয়।
মোহাম্মদ শাহ জাহান শিকদার বলেন, সহিংসতায় ফায়ার সার্ভিসের মোট ১৮ জন সদস্য হামলার শিকার হয়েছে। এরমধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। তার মাথা ফেটে গেছে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি এখন আশংকামুক্ত।
এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ শাহ জাহান শিকদার জানান, হামলায় ফায়ার সার্ভিসের সেকেন্ড কল গাড়ি, পানিবাহী গাড়ি, একটি আম্বুলেন্সসহ ৪টি অত্যাধুনিক গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
তিনি জানান, বড় বড় প্রত্যেকটি ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। ৬টি অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এরই মধ্যে ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এসব ঘটনায় সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে সহিংসতার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহের কাজ শুরু করা হয়েছে।