সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বায়রার একটি অংশের নেতারা এসব কথা জানান।
তারা বলেন, বায়রার ৩৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে শুরু হলেও, বায়রার সভাপতি-মহাসচিবের একপেশে দৃষ্টিভঙ্গী এবং তাদের উপস্থিতিতে তাদেরই অনুসারী একদল সদস্য নামধারী সন্ত্রাসীর পরপর কয়েক দফা ন্যাক্কারজনক কর্মকাণ্ড ঘটায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান সিনিয়র সহসভাপতি রিয়াজুল ইসলামের নেতৃত্বে ১০ জন ইসি কমিটির সদস্যসহ সাধারণ সদস্যরা চরম হট্টগোলের মধ্যে সভা ওয়াকআউট করতে বাধ্য হন।
.png)
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সভায় সাধারণ সদস্যরা সিন্ডিকেটের প্রতিবাদ, ৫০ হাজার কর্মী মালয়েশিয়া না যেতে পারায় তাদের ক্ষতিপূরণ দাবি, সিন্ডিকেটকারীরা (পূর্বের এজিএমে পাস করা) বায়রাকে প্রদেয় ১০০০ টাকা প্রদান না করা, সিন্ডিকেটের যাত্রী প্রতি ১ লাখ ৫২০০০ টাকা চাঁদা প্রদান, সিন্ডিকেটের দুর্নীতির কারণে মালয়েশিয়া শ্রমবাজার বন্ধসহ প্রভৃতি বিষয়ে প্রতিবাদ, বায়রার সভাপতি ও মহাসচিবের এবং সিন্ডিকেটের মূল হোতা রুহুল আমিন স্বপনের উস্কানিতে কয়েকজন সিন্ডিকেট সদস্য, বায়রার সিনিয়র সহ সভাপতিসহ সাধারণ সদস্যদেরকে নাজেহাল করেন। এমনকি মঞ্চে সভাপতির পাশে উপবিষ্ট সিনিয়র সহসভাপতি রিয়াজুল ইসলামকেও হেনস্তাসহ আক্রমণে উদ্যত হয়।
এ অবস্থায় সভাপতি মহোদয়ের অনুসারীদের তাণ্ডব ও চরম হট্টগোলের মধ্যে রিয়াজুল ইসলাম ১০ জন ইসি সদস্যসহ সাধারণ সদস্যরা ওয়াকআউট করতে বাধ্য হন।
সংবাদ সম্মেলন থেকে দাবি জানানো হয়, জনশক্তি রফতানি সেক্টর থেকে সব সিন্ডিকেট প্রথা বিলুপ্ত করে সব লাইসেন্স মালিকদের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। সিন্ডিকেটসহ বায়রাকেন্দ্রিক সব অনিয়মের সঙ্গে জড়িত সদস্যদের আইনের আওতায় এনে যথাযথ শাস্তি প্রদান করে বায়রা শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার দাবি জানানো হয়।
‘সিন্ডিকেট ও শোষণমুক্ত সদস্যবান্ধব বায়রা প্রতিষ্ঠায় সামনের দিনগুলোতে পাশে থেকে সহযোগিতা করার প্রত্যাশা কামনা করা হয়।’