এরই মধ্যে ঘটনাস্থলের ১ মিনিট ১৩ সেকেন্ডের একটি সিসিটিভি ফুটেজের ক্লিপ গণমাধ্যমের হাতে এসেছে।
ঐ ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সময় শনিবার রাত ১১টা ৩৯ মিনিট। দূতাবাসের নিরাপত্তাকর্মীদের ডিউটি কক্ষের সামনে কনস্টেবল মনিরুল ইসলাম ডিউটি নোটবুক নিয়ে হাটাহাটি করছেন। এ সময় ডিউটি কক্ষে থাকা কনস্টেবল কাওসার আলীর বাগ্বিতণ্ডা হয়। কনস্টেবল কাওসার মনিরুলের দিকে খাতাটি ছুড়ে মারেন। আচমকাই ডিউটি কক্ষের ভেতর থেকে মনিরুলকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়েন কনস্টেবল কাওসার।
.png)
গুলিবিদ্ধ মনিরুল ফুটপাত থেকে সঙ্গে সঙ্গে রাস্তায় পড়ে যান। স্থবির মনিরুলের দেহের পাশ থেকে তার বন্দুকটিও নিজের হাতে তুলে নেন কাওসার। মরদেহের পাশে কিছুক্ষণ নির্বিকার দাঁড়িয়ে থাকার পর কনস্টেবল কাওসার এলোপাতাড়ি আরো কয়েক রাউন্ড গুলি চালান।
পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, কাউসারের গুলিতে সে সময় ঐ এলাকা দিয়ে সাইকেলে করে যাওয়ার সময় অপর একটি দূতাবাসের গাড়িচালক গুলিবিদ্ধ হন। ঐ গাড়িচালককে পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ঐ ঘটনার সময় ডিপ্লোমেটিক জোনে কর্তব্যরত অন্য পুলিশ দৌড়ে ঘটনাস্থলে আসেন। পরে কনস্টেবল কাওসারকে নিরস্ত্র করে আটক করা হয়।
রাতেই ঘটনাস্থলে আসেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি)। তিনি বলেন, আক্রমণকারী কনস্টেবলকে থানায় নেয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে কিছু গুলির খোসা এবং ২০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছি। ঘটনার কারণ জানতে আমরা কাউসারকে জিজ্ঞাসাবাদ করবো। প্রকৃত রহস্য জানাটা খুব কঠিন হবে না।