সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রদূত মো. আবু জাফর বলেন, এমভি আবদুল্লাহ একটি বাণিজ্যিক জাহাজ। তারা মূলত দুবাই আসার পথে সোমালি জলদস্যুদের কবলে পড়েন। তবে জিম্মি জাহাজটি কোনো ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই মুক্তি পেয়েছে, নাবিকরাও সুস্থ রয়েছেন।
সোমবার দুপুরে আমিরাতের আজমানে রেডিসন ব্লু হোটেলে বাংলাদেশ মিশনের সঙ্গে বৈঠক করে জাহাজ কর্তৃপক্ষ।
.png)
এ সময় আমিরাতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মো. আবু জাফর, এমভি আব্দুল্লাহ জাহাজের কর্তৃপক্ষ কেএসআরএম-এর ডেপুটি ম্যানেজার ডিরেক্টর শাহরিয়ার জাহান, বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল বি এম জামাল হোসেনসহ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে মালিকপক্ষের সংবাদ সম্মেলনে শাহরিয়ার জাহান জানান, জাহাজ বন্দরে ফেরাতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। জাহাজ বন্দরে ফিরলে মালিকপক্ষ ও বাংলাদেশ মিশন থেকে ১০-১৫ জনের একটি দল জাহাজ পরিদর্শন করবে। সেখানে নাবিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। এছাড়া প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে জাহাজে থাকা কয়লা শেষ করা হবে।
নাবিকদের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা প্রথমে সবার সঙ্গে কথা বলবো। কেউ চাইলে (নাবিকরা) দেশে ফিরতে পারবেন। সেই অনুযায়ী আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের ভিসার জন্য আবেদন করা হবে। আবার তারা চাইলে একসঙ্গে জাহাজে করেও ফিরতে পারবেন।