সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো সংস্থাটির প্রকাশ করা ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত মানবাধিকার লঙ্ঘনের সংখ্যাগত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ৩৫ জনের মধ্যে কয়েদি ১৪ জন ও হাজতি ২১ জন। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ১১ জন হাজতি এবং সাতজন কয়েদির মৃত্যু হয়। একই সময়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী আটকের পর নির্যাতনে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
.png)
সংস্থাটি বলছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতাসহ বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে মোট ২৬৮টি। এতে ২৩ জন নিহত ও প্রায় ২ হাজার ৩৬৮ জন আহত হয়েছেন।
দেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের তথ্যও উঠে এসেছে সংস্থাটি প্রতিবেদনে। এতে বলা হয়েছে, এ সময়কালে ২০টি ঘটনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ১৩টি বাড়িঘরসহ দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দুর্বৃত্তদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও ১৫টি প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের একটি মন্দিরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের বিভিন্নস্থানে গত তিন মাসে মোট ৩২৫ শিশু বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন ও হত্যার শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ১৪০ শিশু হত্যার শিকার হয়েছে। আত্মহত্যা করেছে ২৭ শিশু। বিভিন্ন সময়ে মোট ৩২ শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ১৪ ছেলে শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে এবং নির্যাতনের চেষ্টা করা হয়েছে একজন শিশুকে।
গত তিন মাসে ৮১ জন সাংবাদিক বিভিন্নভাবে নির্যাতন, হয়রারি, হুমকি, মামলা ও পেশাগত কাজ করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন।
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলি ও নির্যাতনে ৬ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন চারজন। অন্যদিকে মিয়ানমার সীমান্তে মর্টার শেলের আঘাতে এক বাংলাদেশী এবং বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর একজন নিহত হয়েছেন।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র জানিয়েছে, গত তিন মাসে গণপিটুনির ঘটনায় ১৭ জন নিহত হয়েছে।