ইইউ নেভাল ফোর্সের এক্সে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। অপারেশন আটলান্টার অংশ হিসেবে সোমালিয়া উপকূলে এ যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করে ইইউ।
এদিকে ২৩ নাবিক সহ জাহাজ জিম্মি করার ৮ দিন পর গত ২০ মার্চ তৃতীয়পক্ষের মাধ্যমে মালিকপক্ষের সঙ্গে একদফা যোগাযোগ করেছে জলদস্যুরা। তবে মুক্তিপণ নিয়ে কোনো কথা হয়নি। এরপর এখন পর্যন্ত আর সাড়া নেই। অপেক্ষায় আছে মালিকপক্ষ এবং নাবিকদের স্বজনরা।
.png)
গত ১২ মার্চ দুপুরে কেএসআরএমের মালিকানাধীন এসআর শিপিংয়ের জাহাজটি জিম্মি করে সোমালিয়ান দস্যুরা। সেখানে থাকা ২৩ নাবিককে একটি কেবিনে আটকে রাখা হয়। আটকের পর জাহাজটিকে সোমালিয়ার উপকূলে নিয়ে যাওয়া হয়। দুই দফা স্থান পরিবর্তন করে জাহাজটিকে সবশেষ সোমালিয়ার গদভজিরান উপকূলের কাছে নোঙর করে রাখা হয়।