জানা গেছে, ১ ডিসেম্বর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি ২০১ ফ্লাইটটি ২৬৫ জন যাত্রী নিয়ে সিলেট থেকে লন্ডনের উদ্দেশে রওনা হয়। হঠাৎ ফ্লাইটের মধ্যে একজন যাত্রীর উচ্চ রক্তচাপ ও শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা দেখা দেয়। কেবিন ক্রুরা বিষয়টি ক্যাপ্টেনকে জানালে ককপিট থেকে জানতে চাওয়া হয়, ফ্লাইটে কোনো চিকিৎসক আছেন কি না। ঐ সময় একজন যাত্রী ঐ রোগীকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন।
ফ্লাইটের মধ্যেই অসুস্থ যাত্রীকে নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন সাপ্লাই ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হয়। তবে তার শারীরিক অবস্থার আরো অবনতি হলে ঐ চিকিৎসক ক্যাপ্টেনকে জানান যে, অসুস্থ ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে। পরে ক্যাপ্টেন ঐ যাত্রীর জীবন বাঁচাতে মেডিকেল ইমার্জেন্সি ঘোষণা করে ফ্লাইটটি বুলগেরিয়ার সোফিয়া ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে জরুরি অবতরণ করেন।
.png)
ফ্লাইটের পাইলট ইন কমান্ড (পিআইসি) ক্যাপ্টেন ইশতিয়াক হোসেন জানান, চিকিৎসক ঐ রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে জানালে তাৎক্ষণিক ফ্লাইটটি ডাইভার্ট করে নিকটতম এয়ারপোর্টে ল্যান্ড করানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সোফিয়া ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের এটিসির সঙ্গে যোগাযোগ করে মেডিকেল ইমার্জেন্সি ঘোষণা করা হয়। ফ্লাইট ডাইভার্ট করে সোফিয়া ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে রেকর্ড ২৫ মিনিটের মধ্যে অবতরণ করে।
বিমান থেকে আরো জানানো হয়, ঐ অসুস্থ যাত্রীর বয়স ৮৪ বছর। তিনি সিলেট থেকে লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছিলেন। তার কাছে ‘ফিট টু ফ্লাই’ মেডিকেল সার্টিফিকেট ছিল।