শুক্রবার দুপুরে আবহাওয়া ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানিয়েছেন কানাডার সাসকাচোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক পিএইচডি গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ।
তিনি জানান, বিশ্বের প্রধান-প্রধান আবহাওয়া পূর্বাভাস মডেলগুলো ২৫ নভেম্বর থেকে ২৮ নভেম্বরের মধ্যে ভারতের আন্দামান ও নিকবার দ্বীপের আশপাশে একটি লঘুচাপ সৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা নির্দেশ করছে। লঘুচাপটি নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে ২৮ থেকে ২৯ নভেম্বরের মধ্যে। গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ২৯ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে। ১ ডিসেম্বরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে ডিসেম্বরের ১-২ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশের বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় এলাকার জেলাগুলো ও মিয়ানমারের রাখাই রাজ্যের মধ্যবর্তী কোনো এলাকার ওপর দিয়ে স্থল ভাগে আঘাত করার সম্ভাবনা রয়েছে।
.png)
ঘূর্ণিঝড়টির ক্ষতিকর প্রভাব কামাতে কিছু পরামর্শও জানিয়েছেন তিনি।
মোস্তফা কামাল পলাশ বলেন, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বাংলাদেশের প্রায় সব জেলার কৃষকদের অনুরোধ করবো- জমিতে পাকা ধান থাকলে তা কেটে মাড়াই করার জন্য। শীতকালীন শাক-সবজির জমিতে ঘূর্ণিঝড়ের সময় যেন পানি জমে শস্যের ক্ষতি না করে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
২৮ নভেম্বরের পর থেকে ডিসেম্বরের ৩ তারিখ পর্যন্ত টেকনাফ-টু-সেন্টমার্টিন নৌযান চলাচল বন্ধ থাকার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। ২৮ নভেম্বরের মধ্যে পর্যটকরা সেন্টমার্টিন দ্বীপ ত্যাগ না করলে আটকা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আগামী সপ্তাহের সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও রাখাইন রাজ্যের উপকূলে আঘাত করার সম্ভাবনা খুবই বেশি। দ্বীপের জেলেরা যেন অবশ্যই ২৮ নভেম্বরের মধ্যে উপকূলে ফেরত চলে আসার প্রস্তুতি নিয়ে রাখে।