সোমবার রাজধানীর মিরপুরের পুলিশ স্টাফ কলেজে ‘উগ্রবাদ, জঙ্গিবাদ ও সহিংস চরমপন্থা প্রতিরোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক আয়োজিত এক কর্মশালায় মুখ্য আলোচকের বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
এটিইউ প্রধান বলেন, বিভিন্ন অভিযান ও অনলাইন পেট্রোলিংয়ের মাধ্যমে গ্রেফতারদের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যও ভয়াবহ। আসলে জঙ্গিরা বসে নেই। আমরা আপাতত শান্তিতে আছি বলে জঙ্গিরা শেষ হয়ে গেছে, এমনটা মনে করার কারণ নেই।
.png)
তিনি বলেন, অনলাইনে জঙ্গিদের কার্যক্রম, কিভাবে একজন তরুণ জঙ্গিবাদে জড়াচ্ছে ও জঙ্গিবাদের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসাধারণকে সচেতন করার সুযোগ গণমাধ্যমকর্মীদের আছে।
তিনি আরো বলেন, পুলিশ-সাংবাদিক সম্পর্কটা গুরুত্বপূর্ণ। পুলিশ কি চায়? গণমাধ্যম ছাড়া পুলিশের কাজের সুযোগ নেই। পুলিশ চায় পজিটিভ কাজগুলো গণমাধ্যমে উঠে আসুক৷
এটিইউ প্রধান বলেন, পুলিশের নতুন ধারণা নিয়ে আমরা কর্মশালা করি। যেন পুলিশের ইমেজ জনগণের সামনে সহায়ক হয়। আমরা জনসাধারণের নিরাপত্তা, সচেতনতা সৃষ্টির কাজ করি। এই জায়গায় গণমাধ্যম ও পুলিশের মধ্যে বিশেষ পার্থক্য নেই। অপরাধ কমুক, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক সেটা সবার কাম্য।
তিনি বলেন, জনগণ আমাদের পাশে আছে, পুলিশ জনগণের আস্থা অর্জন করতে পেরেছে। তবে আমাদের অনেক দূর যেতে হবে। এক্ষেত্রে আমাদের জন্য অনেক বেশি সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে গণমাধ্যম।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের জঙ্গিবাদ দমনের ক্ষেত্রে গণমাধ্যম অনেক বেশি মুনশিয়ানার পরিচয় দিয়েছে। যেটা আড়ালে থাকার সেটা আড়ালেই রেখেছেন। আসলে রাষ্ট্রযন্ত্রের একার পক্ষে জঙ্গিবাদ দমন করা সম্ভব নয়। এখানে দরকার কোর্ডিনেশন, জনগণের অংশগ্রহণ ও গণমাধ্যমের নিরবচ্ছিন্ন সহায়ক ভূমিকা।
তিনি আরো বলেন, আমাদের ডেটা সিস্টেমটা অনেক বেশি আপডেট থাকা দরকার। কারণ, উগ্রবাদে যারা জড়ায় তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরা অনেক বেশি কঠিন।