মন্ত্রণালয়ের হজ অনুবিভাগের উপসচিব আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন সই করা এক চিঠিতে আগামী তিনদিনের মধ্যে এর জবাব দিতে বলা হয়েছে।
শোকজে বলা হয়েছে, গত ২১ মে বিজি ৩০০৫ নম্বর ফ্লাইটে ৮টি এজেন্সির হজযাত্রী মক্কায় পাঠানো হয়। এসব এজেন্সি হজযাত্রীদের ভিসা যে হোটেলের ঠিকানায় করা হয়েছে সে হোটেলে তাদের না উঠিয়ে মক্কার বিভিন্ন ফিতরা করা হোটেলে তাদের উঠানো হয়।
.png)
হজযাত্রীদের মক্কার এসব হোটেলে রিসিভ করার জন্য এজেন্সির কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। ফলে হজযাত্রীরা তাদের জন্য নির্ধারিত হোটেল খুঁজে পেতে সমস্যায় পড়েন। ভিসা অনুসারে হোটেল না হওয়ায় তাদের লাগেজ হোটেলে পৌঁছাতে সমস্যা হয়। পরে হজ মিশনের চেষ্টায় বিষয়টি সমাধান হলেও এটি বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি করে।
আরো বলা হয়েছে, এ ধরনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২১ এর ১২ ধারা অনুযায়ী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়ার বিধান রয়েছে। তাই অসাধারণ বিরুদ্ধে কেন প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা আগামী তিন দিনের মধ্যে এ মন্ত্রণালয়ে দিতে হবে।
এদিকে মক্কা আল-মোকাররমা অফিস আদেশে হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য সেবায় স্থাপিত মেডিকেল সেন্টারে দায়িত্ব পালনের সময়মত উপস্থিত না থাকায় বিল্লাল হোসেন নামে একজনকে শোকজ করা হয়েছে।