শনিবার দিবাগত রাত আড়াইটায় আবহাওয়া অধিদফতরের বিফ্রিংয়ে আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
এ সময় তিনি বলেন, এ মুহূর্তে গাণিতিক মডেল বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, ঘূর্ণিঝড় মোখার সুপার সাইক্লোন হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।
.png)
মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৯০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ২১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২১৯ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিবেগকে আমরা অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় বলছি। ২২০ কিলোমিটার গতিতে গেলে তখন সেটিকে সুপার সাইক্লোন বলা যাবে।
তিনি জানান, এই অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাগের প্রভাব উপকূলীয় এলাকায় পড়তে শুরু করেছে। এটি রোববার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টার মধ্যে কক্সবাজার ও উত্তর মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম করবে। অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ভারি বর্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধস হতে পারে।