শুক্রবার ঘূর্ণিঝড় মোখার সবশেষ অবস্থান তুলে ধরতে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান অধিদফতরের পরিচালক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত সুপার সাইক্লোন হওয়ার আশঙ্কা নেই। তবে ‘মাখা’ সিডরের মতো আই ফরমেশন বা চোখাকৃতির দিকে এগোচ্ছে। উপকূলের দিকে এগিয়ে আসার গতি ঘণ্টায় আট থেকে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে। এমন গতি অব্যাহত থাকলে রোববার দুপুর নাগাদ উপকূলে আঘাত হানতে পারে মোখা। এখন পর্যন্ত ঝুঁকিতে আছে পুরো চট্টগ্রাম বিভাগ।
তিনি আরো বলেন, শুক্রবার থেকে সারাদেশে তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে। শনিবার থেকে সারাদেশে বেড়ে যাবে বৃষ্টিপাত।
.png)
শুক্রবার সকালে আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় মোখা ভোর ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরো উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।
অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া আকারে ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদেরকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।