রোববার প্রতিষ্ঠানটি এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা দেয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পবিত্র রমজান মাসে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে নিরাপদ খাদ্য আইন ও এর বিধি-বিধানসমূহ প্রতিপালনের জন্য খাদ্য ব্যবসায়ীদের নিম্নোক্ত নির্দেশনা প্রদান করা হচ্ছে।
.png)
বিএফএসএ-এর নির্দেশনাগুলো হলো-
>>> খোলা, অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে ইফতার সামগ্রী তৈরি ও পরিবেশন থেকে বিরত থাকা।
>>> বাসি বা পঁচা খাদ্যোপকরণ দিয়ে ইফতার সামগ্রী তৈরি করা যাবে না।
>>> সব ধরনের খাদ্য ও খাদ্যোপকরণ স্বাস্থ্যসম্মতভাবে ঢেকে রাখতে হবে।
>>> হিমায়িত খাবার -১৮° সে. এর নিচের তাপমাত্রায়, ঠান্ডা খাবার ৫° সে. এর নিচের তাপমাত্রায় এবং গরম খাবার ৬০°সে. এর উপরের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হবে।
>>> ইফতার সামগ্রী-যেমন পেঁয়াজু, চপ, বেগুনি, জিলাপি, বুন্দিয়া, ফিরনি ইত্যাদি তৈরিতে অননুমোদিত রং, সুগন্ধি বা অন্যান্য সংযোজন দ্রব্য ব্যবহার থেকে বিরত থাকা।
>>> যেকোনো ধরনের শরবত বা পানীয় তৈরিতে অনিরাপদ পানি বা বরফ, অননুমোদিত সুগন্ধি, রং ইত্যাদি ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।
নির্দেশনায় আরো বলা হয়-
>>> রান্নায় বিশুদ্ধ বা ভেজালমুক্ত তেল ব্যবহার করুন এবং একই তেল বার বার ব্যবহার করা যাবে না।
>>> অপরিপক্ব ফল পাকাতে অননুমোদিত রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। খাদ্যদ্রব্য মোড়ক করতে খবরের কাগজ বা ব্যবহৃত কাগজের তৈরি মোড়ক ব্যবহার করবেন না।
>>> খাদ্যদ্রব্য মোড়কীকরণে খবরের কাগজ বা ব্যবহৃত কাগজের মোড়ক ব্যবহার করবেন না।
>>> অসুস্থ বা ছোঁয়াচে ব্যাধিতে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির মাধ্যমে খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুত, পরিবেশন ও বিক্রি করা যাবে না।
>>> ইফতার সামগ্রী প্রস্তুত ও পরিবেশনে নিয়োজিত খাদ্য কর্মীরা আবশ্যিকভাবে গ্লাভস, মাস্ক ও হেড কভার পরিধান করতে হবে।
>>> উৎস শনাক্তকরণের প্রয়োজনে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহৃত উপকরণ ক্রয়ের রশিদ বা চালান খাদ্যদ্রব্যের মেয়াদ শেষ হওয়ার ন্যূনতম ৩ (তিন) মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করবেন।