ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ বাজার দর ]

বৃহস্পতিবারের বাজার দর (২ মে ২০২৪)

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:৪৬, ২ মে ২০২৪
বৃহস্পতিবারের বাজার দর (২ মে ২০২৪)
ফাইল ফটো

বাজারে এলাচ, জিরা, দারুচিনি, রসুন, ময়দা, সয়াবিন তেল, পেঁয়াজ, হলুদ ও আদার দাম বেড়েছে। ক‌মে‌ছে পাম অয়েল, ছোলা, লবঙ্গ, ব্রয়লার মুরগির দাম। তবে বেড়েছে সোনালী মুরগির দাম।

বৃহস্প‌তিবার রাজধানীর রা‌য়ের বাজার ও হা‌তিরপুল বাজার ঘু‌রে এমন চিত্র দেখা গেছে।

এলাচ কে‌জিপ্রতি বি‌ক্রি হ‌চ্ছে ৩৮০০ টাকা, দারু‌চিনি বি‌ক্রি হ‌চ্ছে কে‌জি প্রতি ৬০০টাকা, এর আগে বি‌ক্রি হ‌য়ে‌ছে ৫৬০ টাকা পর্যন্ত। জিরা বি‌ক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকা। এর আগে বি‌ক্রি হ‌য়ে‌ছে ৮০০টাকা পর্যন্ত।

Advertisement

এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজ কে‌জি‌তে ১০ টাকা বে‌ড়ে ৭০ টাকা, রসু‌ন ২০ টাকা বে‌ড়ে ২০০ টাকা বি‌ক্রি হ‌চ্ছে। দেশি আদার দাম বৃ‌দ্ধি পে‌য়ে ৪০০-৪৫০ পর্যন্ত বি‌ক্রি হ‌চ্ছে। এর আগে বি‌ক্রি হ‌য়ে‌ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা।

ব্যবসায়ীরা বলেন, দাম বেড়েছে আদা ও রসুনের। রসুনের উৎপাদন মৌসুম শেষ হয়েছে। এতে দেশি রসুনের দাম বছরের এই সময়ে সবচেয়ে কম থাকার কথা। আর আদার বড় অংশ আসে দেশের বাইরে থেকে। ডলারের দামের ওপর আদার দাম ওঠানামা করে। 

এদিকে আসন্ন কোরবানির ঈদ ঘিরে রসুনের চাহিদা বেশি থাকে। তাই এখনই রসুনের দাম বাড়তি দেখা যাচ্ছে। তছাড়া দেশি রসুনের উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় এবার দাম বেশি বলে অনেকের ধারণা।

বাজারে দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি। এক সপ্তাহ আগে যা ছিল ১৮০ টাকা।  

রাজধানীর হা‌তিরপুল বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে দেশি আদার সরবরাহ কম থাকায় দাম‌ বে‌শি। তাই ক্রেতারা আমদানি করা আদাই কিনছেন বেশি। আর দেশি রসুনের চেয়ে দাম একটু বেশি হলেও ক্রেতাদের কাছে আমদানি করা রসুনের চাহিদা বেশি বলে জানান বিক্রেতারা।

হা‌তিরপুল বাজারের আবুল বাসার বলেন, ঈদের পর আদা ও রসুনের দাম বেড়েছে। বাজারে সরবরাহে একটু ঘাটতি থাকায় দামে প্রভাব পড়েছে।

ব্রয়লার মুরগি ১৮০-২০০ টাকা বি‌ক্রি হ‌চ্ছে। এর আগে বি‌ক্রি হ‌য়ে‌ছে ২০০-২২০ টাকা।  গত সপ্তাহে কেজিতে ২০-৩০ টাকা কমে হয়েছিল ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা। তবে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সোনালি ও দেশি মুরগি, কেজিতে বেড়েছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা।

অন্যদিকে বেশির ভাগ সবজি ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আর স্থিতিশীল রয়েছে চালের বাজার। 

ব্যবসায়ীরা বলছেন, চড়া দামের কারণে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে মুরগি কেনায় আগ্রহ কমে গেছে। ফলে দাম কমাতে বাধ্য হচ্ছেন পাইকাররা। এতে কিছুটা দাম কমেছে ব্রয়লার মুরগির।

গরুর মাংসের দাম গত সপ্তাহের মতোই, এলাকাভেদে ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি।

ছাগলের মাংস এক হাজার থেকে এক হাজার ১০০ টাকা কেজি। ঈদের আগে থেকেই এ রকম বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা ডজন। দেশি মুরগির ডিম ২৪০ টাকা ডজন এবং হাঁসের ডিম ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা ডজন বিক্রি হতে দেখা গেছে।  আলু ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি।

বাজারে দেখা গেছে, আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৬-৫৭ টাকা কেজিতে। একইভাবে পাইজাম ৫৪-৫৫ টাকা, মিনিকেট ৭২-৭৪ টাকা, নাজিরশাইল ৭৮-৭৯ টাকা। চিনিগুঁড়া চাল ১২০-১৪০ টাকা, বাসমতি ৮০ টাকা, কাটারি আতপ ৬৫-৬৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে রাজধানীর অন্যান্য এলাকায় এই দামের চেয়ে দুই-তিন টাকা পার্থক্য দেখা গেছে।

ঢেঁড়স, টমেটো ও পটল ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে। চিচিঙ্গা, করলা ও সাদা বেগুন ৫০ টাকা, কালো বেগুন ও বরবটি ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। সজনে এখনো ১০০-১১০ টাকা। তবে এই বাজারে অন্যান্য এলাকার চেয়ে কিছুটা কম দামে পাওয়া যায়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমএস
ট্যাগ: বাজারদর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!