রোববার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বড় ইলিশ নেই বললেই চলে। জাটকা ও ১ কেজির কম ইলিশ বিক্রি হচ্ছে।
প্রতি কেজি জাটকা বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকায়। ৭০০ গ্রাম ইলিশ ১২০০-১৩০০ টাকা, আর ১০০০ হাজার টাকায় মিলছে ৫৫০-৬০০ গ্রাম ইলিশ। ছোট চিংড়ি প্রতি কেজি ৬০০-৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
.png)
মিরপুর ৬, মিরপুর ১৩ নম্বর বাজারে কয়েকটি মাছের দোকান খোলা রাখতে দেখা গেছে। ইলিশ, চিংড়ি, রুইসহ অল্প কিছু মাছ বিক্রি হচ্ছে। সবজি ও মুরগির বাজারে ক্রেতা ছিল কম।
৬ নম্বর বাজারের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ঈদের ছুটিতে মানুষ শহরে না থাকায় রোববারও বাজারে ক্রেতা নেই। যে কয়েকটি দোকান খোলা আছে সেগুলোতেও তেমন পণ্য নেই। তারা দোকানে অলস সময় পার করছেন।
চাঁদ রাতে ২৫০ টাকা দরে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হলেও আজ কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। মিরপুর ৬ নম্বর কাঁচা বাজারে এক বিক্রেতা বলেন, আজকে মুরগি আসেনি, অল্প কয়েকটা মুরগি আছে। রেট ২৪০ টাকা, পরিচিতদের কাছে ২৩০ টাকায় বিক্রি করছি।
এছাড়া লাল লেয়ারের প্রতিকেজি ৩৬০ টাকা, আর সোনালী মুরগি ৩৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস ১১৫০-১২০০ টাকা ও প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকায়।
এদিকে প্রায় অপরিবর্তিতই রয়েছে শাকসবজির দাম। সবজি ব্যবসায়ী শরিফুল বলেন, শাক সবজি আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। চাঁদ রাতের পরে থেকে সবজির সরবরাহ তেমন নেই। আবার ঈদে সবজির চাহিদা ও কম থাকে। খুচরা বাজারে কাস্টমার একেবারেই নেই।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চিচিঙ্গা ৩৫ থেকে ৫০ টাকা, করলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৩৫ থেকে ৫০ টাকা, পটল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শসা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, সজনে ডাটা ১০০ থেকে ১২০ টাকা, কাঁকরোল ১১০ থেকে ১৩০ টাকা, ধুন্দল ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর ঝিঙ্গে ৪০ থেকে ৬০ টাকা, গাজর ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বরবটি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, করলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, লম্বা বেগুন ৪০ থেকে ৫০ টাকা, টমেটো ৪০ থেকে ৫০ টাকা, গোল বেগুন ৫০ থেকে ৬০ টাকা, মুলা ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।