ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

[ আইন-আদালত ]

শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের অভিযোগ গঠনের শুনানি

আদালত প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১০:০৪, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের অভিযোগ গঠনের শুনানি
ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের টেকনাফে কাউন্সিলর একরামুল হককে কথিত বন্দুকযুদ্ধে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর)।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ সেপ্টেম্বর মামলাটির আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন নির্ধারিত ছিল। তবে ট্রাইব্যুনালের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ না থাকায় রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানির নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

মামলার ১১ আসামির মধ্যে বর্তমানে চারজন গ্রেপ্তার রয়েছেন। তাঁরা হলেন কক্সবাজার-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুব আলম এবং র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান।

অন্যদিকে শেখ হাসিনাসহ পলাতক সাত আসামির মধ্যে রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ, মেজর (অব.) রুহুল আমিন, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আশেকুর রহমান এবং ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার নাজমুস সাকিব মাহমুদ।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর পলাতক সাত আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। গত ২৫ আগস্ট তাঁদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়ে দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়।

তবে ৭ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত হাজিরার দিনে গ্রেপ্তার চার আসামি ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হলেও পলাতক আসামিরা আত্মসমর্পণ করেননি।

এর আগে গত ২৬ জুলাই মামলার ১১ আসামির বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ২৬ মে রাত সাড়ে ১০টার দিকে টেকনাফের কিরণতলীতে হোটেল নেটংয়ের সামনের সড়ক থেকে একরামুল হককে তুলে নেওয়া হয়। পরে রাত ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নোয়াখালিয়া পাড়ায় মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন সাগরতীরে র‍্যাবের কথিত বন্দুকযুদ্ধে তিনি নিহত হন।

একরামুল হক টেকনাফ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ছিলেন।

এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে আটক, অপহরণ, বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা সাজিয়ে হত্যা, অপরাধে সংশ্লিষ্টতা, প্ররোচনা, সহায়তা এবং হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ এনেছে প্রসিকিউশন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!