মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক শ্যাম সুন্দর রায় এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- শাহাদাত বেপারী, জাহাঙ্গীর বেপারী ও ইব্রাহিম বেপারী। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মনির চৌকিদার, হায়াতুল ইসলাম চৌকিদার, হাবিব বেপারী, আশরাফুল খান, হুমায়ুন দেওয়ান, এমদাদ হালদার ওরফে ইমরান, আইয়ুব খাঁ ও লিটন বেপারী।
.png)
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৩ সালের ১৪ জুন ভুক্তভোগী শ্যামল বেপারী (৩৮) প্রতিদিনের মতো মুন্সীগঞ্জ থানাধীন পূর্ব রাখি সাকিনস্থ নিজের বাড়িতে একা ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত ১টার দিকে আসামিরা ঘরের দরজা খোলার জন্য তাকে ডাক দেন। আসামিদের কথা শুনে শ্যামল ঘরের দরজা খুলে দেন। আসামিরা পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশে হাত ও দুই পায়ে এবং মাথায় গুলি শ্যামলের মৃত্যু নিশ্চিত করেন। এ সময় গুলির শব্দ পেয়ে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে আসামিরা ফাঁকা গুলি এবং ককটেল বিস্ফোরণ করে পালিয়ে যায়। ওই ঘটনার নিহতের ভাই মো. ইব্রাহিম বেপারী (৩৬) মুন্সিগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
মামলাটির তদন্ত করে ২০২৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মুন্সীগঞ্জ সদর থানার এসআই লিপন সরকার ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। সাক্ষ্য গ্রহণ ও শুনানি শেষে মামলাটির রায় দেন আদালত।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আবুল কালাম আজাদ জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের দণ্ডের পাশাপাশি ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আর যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।