বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত এ আদেশ দেন।
দুদকের কোর্ট ইন্সপেক্টর আমির হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
.png)
এদিন আসামি মিজানের আইনজীবী ১৬টি ব্যাংক হিসাবের অবরুদ্ধের আদেশ অবমুক্তের আবেদন করেন। অন্যদিকে দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর আবেদনের বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে আদালত আসামিপক্ষের আবেদন নামঞ্জুর করেন।
২০১৯ সালের ৭ নভেম্বর দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার পর আদালতে পাগলা মিজান, তার স্ত্রী, ছেলেমেয়ের নামে থাকা ১৬টি ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ দেন আদালত। এসব ব্যাংক হিসাবের সব লেনদেন বন্ধ রয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান অসৎ উদ্দেশ্যে নিজ ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে মোট ৩০ কোটি ১৬ লাখ ৮৭ হাজার ৩৩১ টাকা ৩৪ পয়সার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন, যা তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫ (২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়।