ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি আবু আহমেদ জমাদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম।
এর আগে, ১০ মে এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্য দিয়েই মামলায় আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। সেই ধারাবাহিকতায় আজ মামলায় ওপিনিং স্টেটমেন্ট উপস্থাপন করা হয়। এখন সাক্ষীর জবানবিন্দ উপস্থাপনের জন্য আগামী ২০ জুন পরবর্তী দিন ঠিক করেছেন আদালত। ওইদিন মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউশনের সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ঠিক করা হয়েছে।
.png)
এদিন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর সাবিনা ইয়াসমিন খান মুন্নি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- প্রসিকিউটর সৈয়দ হায়দার আলী, সুলতান মাহমুদ সীমন, মো. মোখলেসুর রহমান বাদল, সাহিদুর রহমান, জাহিদ ইমাম।
এ মামলায় মোট ১৫ আসামির মধ্যে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন ৬ জন। তারা হলেন- মো. ডা. লুৎফর রহমান, খয়বার রহমান, নুরুল ইসলাম, আবুল হোসেন বিশ্বাস, আবু বকর ও হোসেন আলী মোল্লা। তাদের মধ্যে হোসেন আলী মোল্লাকে জামিন দিয়েছেন আদালত। আর একজন ২০২২ সালের ১২ ডিসেম্বর মারা গেছেন। বাকি ৮ আসামি এখনো পলাতক।
আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগে রাষ্ট্রপক্ষ বলেছে, মুক্তিযুদ্ধকালীন যশোরের বাঘারপাড়া থানা ও কোতোয়ালি থানায় লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, আটক, ধর্ষণ ও হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ৬টি অভিযোগ দাখিল করেছে।
২০২২ সালের ৩ আগস্ট ধানমন্ডিতে তদন্ত সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে যশোরের বাঘারপাড়া ও কোতোয়ালি থানা এলাকায় মুক্তিযুদ্ধের সময় লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ৬টি অভিযোগ আনা হয় ১৫ আসামির বিরুদ্ধে। এটি ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা ৮৪তম প্রতিবেদন বলে জানিয়েছিলেন সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক এম সানাউল হক।