ডেইলি বাংলাদেশ: জাতীয় দলের বাইরে থেকে নিজেকে প্রস্তুত রাখা কতটা চ্যালেঞ্জিং?
আল আমিন: সব সময়ই চ্যালেঞ্জিং। জাতীয় দলে পরিবেশ সব সময় প্রস্তুত থাকে। আর দলের বাইরে নিজের জন্য সবকিছু তৈরি করে অনুশীলন করতে হয়। আমার কাছে মনে হয়, জাতীয় দলে থাক কিংবা জাতীয় দলের বাইরে থাক, অনুশীলন করে নিজেকে প্রস্তুত করাটাই চ্যালেঞ্জিং।
.png)
ডেইলি বাংলাদেশ: ২০২০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছেন। কোনো আক্ষেপ আছে কি?
আল আমিন: অবশ্যই আছে...। সর্বশেষ যে ম্যাচটা খেলেছিলাম, সেখানে চার ওভারে ১৬ রানে দুই উইকেট পেয়েছিলাম। এরপর ওভাবে সুযোগ পাইনি। আরো হয়তোবা...। কিছু সুযোগ পেলে নিজেকে মেলে ধরতে পারতাম।
ডেইলি বাংলাদেশ: এবারের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) অসাধারণ বোলিং করেছেন। ৮ ম্যাচে আপনি উইকেট নিয়েছিলেন ১৪টি। বিশেষ করে গাজী গ্রুপের বিপক্ষে ভালো বোলিং করেছেন। সে ম্যাচে নিয়েছিলেন ৫টি উইকেট। ডিপিএলে নিজের পারফর্মেন্স নিয়ে আপনি কি সন্তুষ্ট?
আল আমিন: এবারের ডিপিএল নিয়ে আমি সন্তুষ্ট নই। যে টিম আমাকে নিয়েছে, তারা অবশ্যই ১৬টি ম্যাচ খেলার জন্য আমাকে নিয়েছিল। তাছাড়া প্রিমিয়ার লিগের মধ্যে দু’বার ইনজুরিতে পড়েছিলাম। হয়তো বা সে কারণে বাকি ম্যাচগুলো খেলতে পারিনি। যদি ১৬টি ম্যাচ খেলতাম, তাহলে ২৮ কিংবা ৩০টি উইকেট পেতাম। এতে আমার দলের ও আমার নিজের জন্যও ভালো হতো।
ডেইলি বাংলাদেশ: ডিপিএলে এবারের উইকেটগুলো পেস বোলারদের কেমন সহায়তা করছে?
আল আমিন: না...। আসলে আমাদের পেস বোলিং উইকেট কিউরেটররা ইচ্ছা করলেই বানাতে পারেন না। আমাদের মাঠগুলোতে প্রচুর খেলা হয়। আমার মনে হয়, পেস বোলিং সহায়ক হোক কিংবা না হোক- বোলিং করাটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
ডেইলি বাংলাদেশ: বোলিংয়ে আরো উন্নতি করার জন্য কীভাবে নিজেকে প্রস্তুত করছেন?
আল আমিন: আমি সব সময় নিজেকে প্রস্তুত রাখার চেষ্টা করছি। কারো যদি ইনসুয়িং থাকে, সে ইনসুয়িং নিয়ে কাজ করবে, কিংবা করো কাটার থাকে, সে এগুলো নিয়ে কাজ করবে। কারণ, এখনকার ক্রিকেট খুবই আধুনিক। সেক্ষেত্রে নিত্যনতুন বোলিংয়ে ভিন্নতা আনতে হবে। সবকিছু মিলে নিজেকে মেলে ধরার চেষ্টা করছি। কঠিন পরিশ্রম করছি। অল্প অল্প বোলিং করছি। ইনশাআল্লাহ ভালো কিছু হবে।