ঢাকা,  বৃহস্পতিবার   ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব নোমান মাহমুদ

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:২২, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব নোমান মাহমুদ
ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় গঠিত জোটের প্রথম মহাসচিব হিসেবে পাকিস্তানের অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল নোমান মাহমুদকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। নোমান মাহমুদ সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে প্রতিষ্ঠিত জোটের সাধারণ সচিবালয়ের নেতৃত্ব দেবেন। প্রথম মেয়াদে তিন বছর পাকিস্তানের একজন মহাসচিব দায়িত্ব পালন করবেন এবং পরবর্তী সময়ে তিন দেশের মধ্যে এ দায়িত্ব পর্যায়ক্রমে বদলাবে।

Advertisement

নোমান মাহমুদ ২০২১ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৩ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ইসলামাবাদে পাকিস্তানের ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটির (এনডিইউ) প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ১৯৮৭ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া এই কর্মকর্তা ২০২৩ সালে অবসরে যান।

গত ৭ আগস্ট পবিত্র মক্কায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করেন। চুক্তিটির লক্ষ্য তিন দেশের যৌথ প্রতিরোধ সক্ষমতা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করার পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখা।

চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ একটি ধারা হলো—তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে সব সদস্যের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চুক্তিটি প্রতিরক্ষামূলক প্রকৃতির এবং কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত নয়।

চুক্তির আওতায় সহযোগিতা আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে গত ৩১ আগস্ট ইস্তাম্বুলে তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সামরিক বাহিনীর প্রধানদের অংশগ্রহণে কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা, যৌথ প্রযুক্তি উন্নয়ন ও উৎপাদন এবং সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

পাকিস্তানের সেনাবাহিনীও জানিয়েছে, চুক্তিটির মূল উদ্দেশ্য যৌথ প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করা; এর কোনো আঞ্চলিক আধিপত্যের লক্ষ্য নেই।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!