সংবাদমাধ্যম বিবিসির তথ্যানুযায়ী, ভয়াবহ যুদ্ধের মধ্যেও ইউক্রেনের ওপর দিয়ে ইউরোপে গ্যাস সরবরাহ করে আসছিল রাশিয়া। সোভিয়েত আমলে নির্মিত একটি পাইপলাইন দিয়ে এই গ্যাস সরবরাহ করা হতো। দুইটি দেশের গ্যাস সরবরাহকারী দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চুক্তি থাকার কারণে এতদিন এই অসাধ্য সাধন হয়েছে।
জানা গেছে, রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে পাঁচ বছরের ট্রানজিট চুক্তির মেয়াদ ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল। ইউক্রেনের গ্যাস ট্রানজিট অপারেটর মঙ্গলবার যে তথ্য সরবরাহ করেছে, তাতে দেখা গেছে, রাশিয়া পহেলা জানুয়ারি থেকে কোনো গ্যাস প্রবাহের অনুরোধ জানায়নি।
.png)
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিকল্প গ্যাসের উৎস খোঁজার মাধ্যমে রাশিয়ার গ্যাসের উপর নির্ভরতা ব্যাপকভাবে হ্রাস করে। রাশিয়ার গ্যাসের অবশিষ্ট ক্রেতা, যেমন-স্লোভাকিয়া ও অস্ট্রিয়া বিকল্প সরবরাহের ব্যবস্থা করেছে।
একসময় বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাস রফতানিকারক ছিল রাশিয়া। দেশটির গ্যাস সরবরাহকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান গ্যাজপ্রম শুধুমাত্র ২০২৩ সালে ৭০০ কোটি ডলার লোকসান রেকর্ড করেছে, যা ১৯৯৯ সালের পর প্রথম বার্ষিক ক্ষতি।