বুধবার কাজাখস্তানের জরুরি পরিষেবা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। যদিও আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
রয়টার্স জানিয়েছে, বিমানটিতে ৬৭ জন যাত্রী এবং পাঁচজন ক্রু সদস্য ছিলেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম। জীবিত যাত্রির সন্ধান পাওয়া গেছে এখন পর্যন্ত ১২ জন। যদিও রয়টার্স এখনো এ তথ্য নিশ্চিত করতে পারেনি।
.png)
বিমানটি আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের ছিল এবং এটি বাকু থেকে রাশিয়ার চেচনিয়ার গ্রোজনি শহরের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। তবে গ্রোজনিতে কুয়াশার কারণে বিমানটিকে দিক পরিবর্তন করতে বাধ্য করা হয়।
কাজাখস্তানের জরুরি পরিষেবাগুলো দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তবে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ এখনো জানা যায়নি।
এর আগে, গত সপ্তাহে ব্রাজিলে একটি বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় সকল আরোহী নিহত হয়েছিলেন। একের পর এক বিমান দুর্ঘটনার এ খবর আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।
দুর্ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ এবং উদ্ধার কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো পর্যবেক্ষণ করছে।