সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, এর উদ্দেশ্যে হচ্ছে ন্যাটোবিরোধী ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রভাব থেকে সহায়তা ব্যবস্থাকে সুরক্ষিত রাখা।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপের ফলে ন্যাটো রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইউক্রেন যুদ্ধে আরো প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখার সুযোগ পাবে। এতে যুদ্ধ আরো দীর্ঘস্থায়ী হবে। বড় ধরনের ধাক্কা খাবে ইউক্রেন।
.png)
কূটনীাতিকরা স্বীকার করেছেন, ন্যাটোকে এই দায়িত্ব দেয়া হলেও ইউক্রেনের ওপর তেমন কোনো প্রভাব পড়বে না। কারণ যুক্তরাষ্ট্রই ন্যাটোর প্রধান শক্তি এবং কিয়েভের জন্য সবচেয়ে বেশি অর্থ ও অস্ত্র সরবরাহ করছে যুক্তরাষ্ট্র।
কিন্তু নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই যুদ্ধের ঘোরবিরোধী। তিনি ইতোমধ্যে বলেছেন, হোয়াইট হাউসের দায়িত্ব নেয়ার পর তার প্রথম কাজই হবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করা।
সূত্র : রয়টার্স।