আগামীকাল মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস এবং রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই নির্বাচনে এ দুজনের বাইরে আলোচনায় আছেন আরো চার প্রার্থী। আগামী মঙ্গলবারে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে এই চারজনও প্রভাবশালী হয়ে উঠতে পারেন।
জিল স্টেইন
.png)
বামপন্থী গ্রিন পার্টির প্রেসিডেন্ট ও পরিবেশকর্মী জিল স্টেইন এ নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট শিবিরের জন্য মাথাব্যথার কারণ। তিনি ৪০টি অঙ্গরাজ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ৭৪ বছর বয়সী স্টেইন এর আগেও ২০১২ ও ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন, যেখানে তিনি যথাক্রমে ০.৪ শতাংশ ও ১ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন। ডেমোক্র্যাটদের আশঙ্কা, মিশিগান, পেনসিলভানিয়া এবং উইসকনসিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যে তার সমর্থন কমলা হ্যারিসের ভোট ভাগ করতে পারে।
কর্নেল ওয়েস্ট
৭১ বছর বয়সী শিক্ষাবিদ ও বর্ণবাদবিরোধী গ্রিন পার্টির প্রার্থী কর্নেল ওয়েস্ট এ বছর ১২টিরও বেশি অঙ্গরাজ্যে লড়ছেন। বাইডেনকে ‘যুদ্ধাপরাধী’এবং ট্রাম্পকে নব্য ফ্যাসিস্ট হিসেবে আখ্যায়িত করে স্বতন্ত্রভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ওয়েস্টের সমর্থন অল্প হলেও ডেমোক্র্যাটদের জন্য চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চেজ অলিভার
লিবার্টারিয়ান পার্টির ৩৯ বছর বয়সী প্রার্থী চেজ অলিভার এবারের নির্বাচনে সম্ভবত বড় অঘটন ঘটাতে পারেন। ২০২০ সালের নির্বাচনে তিনি ১ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন, তবে এবার প্রায় সব অঙ্গরাজ্যেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অলিভার মুক্ত বাণিজ্য ও ছোট আকারের সরকারব্যবস্থার পক্ষে প্রচার চালাচ্ছেন, যা অনেক ভোটারকে আকৃষ্ট করছে।
রবার্ট কেনেডি জুনিয়র
রবার্ট কেনেডি জুনিয়র এবারের নির্বাচনে আলোচিত প্রার্থী হিসেবে শুরু করেছিলেন, তার পক্ষে ৫-৭ শতাংশ সমর্থন ছিল। তবে গত আগস্টে তিনি ট্রাম্পের পক্ষে সরে দাঁড়ান। কিছু অঙ্গরাজ্য তার নাম ব্যালট থেকে সরাতে অস্বীকৃতি জানানোয়, তার প্রভাব নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে।