এরই ধারাবাহিকতায় রোববার শক্তিশালী স্যুইং স্টেট হিসেবে পরিচিত মিশিগানের একটি ঐতিহাসিক কৃষ্ণাঙ্গ চার্চে গিয়েছিলেন কমলা। ডেট্রয়েটের গ্রেটার ইমানুয়েল ইনস্টিটিউশনাল চার্চ অব গড ইন ক্রাইস্ট-এর প্যারিশনারদের তিনি বলেন, এই নির্বাচনের ফলাফল পরবর্তী কয়েক প্রজন্মের ভবিষ্যতের জন্য জরুরি। তাই শুধু কথা নয়, শুধু প্রার্থনা নয়, কাজও করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, ঈশ্বর আমাদের জন্য যা নির্ধারণ করে রেখেছেন, তাকে বাস্তবে রূপায়ণ করতে গেলে আমাদের কাজ করে দেখাতে হবে। আমরা যেন সেই পরিকল্পনামতো কাজ করি। গণতন্ত্রের জন্য, আমাদের সম্প্রদায়ের জন্য, আমাদের দৈনন্দিন জীবনের জন্য কাজ করি।
.png)
পরে মিশিগানের ইস্ট ল্যানসিংয়ে একটি সমাবেশে তিনি প্রায় ২ লাখ আরব আমেরিকানদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। গাজা ও লেবাননে ইসরায়েলি যুদ্ধে বেসামরিক হতাহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি তার বক্তব্য শুরু করেন। বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমি গাজার যুদ্ধ শেষ করতে আমার সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করব।’
এদিকে রোববার ট্রাম্প পেনসিলভানিয়া, নর্থ ক্যারোলিনা ও জর্জিয়ায় জনসভা করেছেন। বলা হয়ে থাকে, মার্কিন নির্বাচনে সবচেয়ে বড় সুইং স্টেটের মধ্যে পড়ে এই রাজ্যগুলো।
ট্রাম্প প্রথমে নর্থ ক্যারোলিনার কিন্সটনে ও পরে জর্জিয়ার ম্যাকনে ভাষণ দেন। হ্যারিসের পক্ষে অগ্রগতি দেখানোয় জরিপগুলোর সমালোচনা করেন ট্রাম্প। ডেমোক্র্যাটদের ‘শয়তানি দল’ বলে আখ্যায়িত করেন। ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে উপহাস করেন। এছাড়া তিনি সংবাদমাধ্যমগুলোরও সমালোচনা করেন।
ট্রাম্প ঘোষণা করেন, আমি অনুপ্রবেশ বন্ধ করে দেব। জো বাইডেন ও কমলা হ্যারিসের সৌজন্যে বিশাল সংখ্যায় অপরাধীরা অ্যামেরিকায় ঢুকছে। ট্রাম্প বিশাল সমাবেশে জানতে চান, কখন পরিস্থিতি ভালো ছিল, চার বছর আগে না কি আজ?
ট্রাম্প আরো বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি দেশকে নতুন স্বর্ণযুগে নিয়ে যাবেন।
পেনসিলভেনিয়ার জনসভায় ট্রাম্প তার বক্তব্যের শেষের দিকে দাবি করেন, ২০২০ সালে তার পরাজয় জালিয়াতির কারণে হয়েছিল। ট্রাম্প তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে নির্বাচনের ফলাফল নির্বাচন রাতেই ঘোষণা করা উচিত। যদিও একাধিক রাজ্যের কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে চূড়ান্ত ফলাফল জানতে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।