এতে জাহাজটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও, এতে আগুন বা কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীর ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস সেন্টার। মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি এ খবর জানিয়েছে।
মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস সেন্টার আরো জানিয়েছে, প্রথম হামলার পর হুথিদের নিক্ষেপ করা আরও দুটি প্রজেক্টাইল জাহাজটির আশেপাশের পানিতে আঘাত করে। হামলার সময় ইয়েমেনের আল হোদাইদা বন্দর থেকে অনেকটাই দূরে ছিল জাহাজটি। তবে ওই রুটেই বিদ্রোহীরা তাদের বেশিরভাগ হামলা পরিচালনা করে থাকে।
.png)
বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থা অ্যাম্ব্রে এই জাহাজটিকে লাইবেরিয়া-নিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক ট্যাংকার হিসেবে শনাক্ত করেছে।
এই হামলাটি এমন সময়ে ঘটলো যখন বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে হুমকি দিয়ে আসছে। ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই লোহিত সাগর দিয়ে চলাচলকারী জাহাজে এই ধরনের হামলা বেড়েছে। অথচ এই রুটি দিয়ে একসময় বছরে এক হাজার বিলিয়ন ডলারের পণ্য পরিবহণ হতো।
বিদ্রোহীরা তাৎক্ষণিকভাবে হামলার দায় স্বীকার করেনি।
তবে তাদের আক্রমণগুলো স্বীকার করতে কয়েক ঘণ্টা বা কখনও কখনও কয়েক দিনও লাগতে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্লেষকরা।
গাজা যুদ্ধের সমর্থনে ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার দাবি করে আসছে হুথিরা ।