কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৈরুতের কাছে হিজবুল্লাহর একটি ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারকে ইসরায়েল টার্গেট করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে সাফিয়েদ্দিনসহ হিজবুল্লাহর অপর নেতারা উপস্থিত ছিলেন। গত সপ্তাহে নাসরাল্লাহর মৃত্যুর পর থেকে ইসরায়েল হিজবুল্লাহর অবশিষ্ট নেতৃত্বকে নির্মূল করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
হাসেম সাফিয়েদ্দিন নির্বাহী কাউন্সিলের প্রধান হিসেবে হিজবুল্লাহর রাজনৈতিক বিষয়গুলো তত্ত্বাবধান করেন। তিনি জিহাদ কাউন্সিলের সদস্য, যা প্রতিরোধ যোদ্ধাদলটির সামরিক কার্যক্রম পরিচালনা করে।
.png)
হাসেম সাফিয়েদ্দিন হাসান নাসরাল্লাহর মামাতো ভাই এবং তার মতোই একজন ধর্মীয় নেতা। তিনি মহানবী হযরত মোহাম্মদের (সা.) বংশধর হিসেবে পরিচিতমূলক কালো পাগড়ি পরেন। তাকে নাসরাল্লাহর উত্তরসূরি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা বলেছেন, বৈরুতের দক্ষিণের একটি উপশহরে এই হামলা হয়েছে। সেখানে হিজবুল্লাহর অনেক স্থাপনা রয়েছে। হামলার সময় হাসেম সাফিয়েদ্দিন গভীর ভূগর্ভের একটি বাঙ্কারে অবস্থান করছিলেন। তবে হামলায় তিনি নিহত হয়েছেন কিনা, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
লেবাননের সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, গত সপ্তাহে নাসরাল্লাহকে মারতে যে হামলা ইসরায়েল করেছে তার চেয়ে এবারের হামলা অনেক ভয়াবহ ছিল। তবে হতাহতের সংখ্যা এখনো জানা যায়নি।