তিনি লিখেছেন, (ইরানের) কূটনৈতিক প্রাঙ্গণ ও প্রতিনিধিদের ওপর হামলা কুটনৈতিক নীতিমালার চরম লঙ্ঘন। ইরান এ ধরণের হামলার বিরুদ্ধে হুঁশিয়ার করছে। এসব আগ্রাসনের পুনরাবৃত্তি সহ্য করা হবে না।
শুক্রবার লেবাননের দক্ষিণ বৈরুতে ইসরায়েলি বোমা হামলায় নাসরুল্লাহসহ আরো কয়েকজন নেতা নিহত হন। ইরানি মিডিয়া জানিয়েছে, হামলায় ইরানের বিপ্লবী গার্ডের ডেপুটি কমান্ডার জেনারেল আব্বাস নীলফরৌশানও ‘নাসরুল্লাহর পাশে’ নিহত হয়েছেন।
.png)
ইরান বহু বছর ধরে হিজবুল্লাহকে আর্থিক ও সামরিকভাবে সমর্থন দিয়ে আসছে। এর আগে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, নাসরুল্লাহ হত্যার প্রতিশোধ নেয়া হবে।
নাসরুল্লাহর মৃত্যুর খবরে খামেনিকে দেশের অভ্যন্তরে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে তার নিরাপত্তা আরো জোরদার করা হয়েছে।
ইরাভানি আরো বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তা রক্ষার্থে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী নিজেদের সহজাত অধিকার প্রয়োগ করতে (শক্তি প্রয়োগ) ইরান সামান্যতম দ্বিধা করবে না।