বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) রুশ বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্সের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
অন্যদিকে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীকে রাশিয়ার সীমান্তবর্তী একটি গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন এক সিনিয়র রুশ কমান্ডার। তবে কিয়েভ বাহিনী এখনো রাশিয়ায় তাদের আক্রমণ ও তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
.png)
গত ৬ আগস্ট ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার পশ্চিম সীমান্তে আক্রমণ চালিয়ে দেশটিতে প্রবেশ করে। এ অনুপ্রবেশ ও হামলা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর রাশিয়ার ভূখণ্ডে সবচেয়ে বড় বিদেশি হামলা বলে বিবেচিত হচ্ছে। এই আক্রমণ রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর জন্য বড় ধরনের বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।
প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বুধবার জানান, ইউক্রেন সামরিক বাহিনী আরো কয়েক কিলোমিটার সামনে অগ্রসর হয়েছে।
যুদ্ধবন্দিদের বিনিময়ের জন্য তারা একটি তহবিল সংগ্রহের দিকেও এগিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান তিনি।
দেশটির এক সামরিক কর্মকর্তা জানান, কিয়েভ তার জনগণকে রক্ষা করার জন্য একটি বাফার জোন তৈরি করেছে।
কুরস্কে যুদ্ধ করা চেচনিয়ার মেজর জেনারেল আপ্তি আলাউদিনভ বলেছেন, রাশিয়ান সেনাবাহিনী ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীকে সীমান্ত থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার ভেতরের মার্তিনোভকা থেকে জোরপূর্বক তাড়িয়ে দিয়েছিল।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে আলাউদিনভ বলেছেন, ‘আমরা যা কিছু পেয়েছি সব কিছু ধ্বংস করে দিয়েছি।’
তিনি বলেন, রাশিয়ায় আরো বাহিনী পাঠাচ্ছে ইউক্রেন। কিন্তু রাশিয়ার পরিবর্তিত কৌশল ও সম্মুখ যোদ্ধারা ইউক্রেনীয় বাহিনীকে দুর্বল করে দিচ্ছে। শত্রুরা সব জায়গা দিয়ে ঢোকার চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু তারা দিন দিন প্রতিহত হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, সুদজা শহরে অবস্থিত রাশিয়ান প্রাকৃতিক গ্যাসের ট্রান্সশিপমেন্ট হাব সম্পূর্ণ ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণে ছিল না।
যদিও বুধবার ইউক্রেন এটি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করেছে।