সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, প্রথম দফায় অল্পসংখ্যক এফ-১৬ পেয়েছে ইউক্রেন। আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুত সবকয়টি বিমানই পেতে পারে কিয়েভ। এ ব্যাপারে অবশ্য ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।
গত বছর এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ইউক্রেনে পাঠানোর জন্য নেদারল্যান্ডস ও ডেনমার্ককে অনুমতি দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ইউক্রেনের পাইলটদের এফ-১৬ চালানোর প্রশিক্ষণ শেষ হলে বিমানগুলো ইউক্রেনের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানানো হয়েছিল। চলতি মাসে ন্যাটোর ৭৫তম সম্মেলনে জানানো হয়, এফ-১৬ যুদ্ধবিমান পাঠানো শুরু করেছেন তারা।
.png)
প্রসঙ্গত, টানা ২৯ মাস ধরে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ হচ্ছে রাশিয়ার। সম্প্রতি চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট তা নাকচ করে দিয়েছেন। জেলেনস্কি সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন, মস্কোর ঘনিষ্ঠ বেইজিংয়ের মধ্যস্থতা তিনি চান না। তার বক্তব্য, চীন চাইলে যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। কিয়েভ বেইজিংয়ের মধ্যস্থতা চায় না। তারা রাশিয়ার সঙ্গে কথা বলুক।