ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) বিবৃতি উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার ইরানের প্রেসিডেন্টের অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হানিয়া তেহরানে গিয়েছিলেন। তিনি যে ভবনে অবস্থান করছিলেন সেখানে হামলা চালানো হলে হানিয়া এবং তার এক দেহরক্ষী নিহত হয়।
ইসমাইল হানিনার নিহত হওয়ার বিষয়টি হামাসের পক্ষ থেকেও নিশ্চিত করা হয়েছে বলে বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
.png)
খবরে বলা হয়, বলে। বিবৃতিতে হানিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ করে হামাস জানিয়েছে, তেহরানে নিজের আবাসস্থলে বিশ্বাসঘাতক ইহুদিবাদী অভিযানে’ ইসমাইল হানিয়া নিহত হয়েছেন।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইরানে হামাস রাজনৈতিক নেতা ইসমাইল হানিয়ার মৃত্যুর রিপোর্টগুলি তারা দেখেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী সিএনএনকে জানিয়েছে, তারা ‘বিদেশী মিডিয়ার রিপোর্টে প্রতিক্রিয়া জানায় না’।
বুধবার ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়া তেহরানে নিহত হয়েছেন। বিবৃতিতে হানিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ করে হামাস জানিয়েছে, তেহরানে নিজের আবাসস্থলে বিশ্বাসঘাতক ইহুদিবাদী অভিযানে’ ইসমাইল হানিয়া নিহত হয়েছেন।
এই হামলাকে কাপুরুষোচিত উল্লেখ করে হামাস বলেছে, এই হত্যাকাণ্ড বিনা জবাবে থাকবে না। অর্থাৎ ইসরায়েল অবশ্যই জবাব পাবে।
হানিয়া ১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে হামাসে যোগ দেওয়ার পর থেকে গোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের সিনিয়র নেতা ছিলেন এবং পরবর্তী কয়েক দশকে সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ে উন্নীত হন।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, তারা হামাসের হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্ত করছে।
সূত্র : সিএনএন