মঙ্গলবার কিম্বারলি চিটল কর্মীদের কাছে একটি ই-মেইল পাঠিয়ে পদত্যাগের পরিকল্পনার কথা জানান। দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।
গত ১৩ জুলাই পেনসিলভানিয়ায় ট্রাম্পের সমাবেশে নিরাপত্তা প্রটোকল নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় মার্কিন আইনপ্রণেতাদের কাছ থেকে পদত্যাগের জন্য চাপের মুখে ছিলেন তিনি। যদিও সেদিন ট্রাম্প গুলিতে আহত হওয়ার পরও প্রাণে বেঁচে যান।
.png)
কর্মীদের কাছে পাঠানো ই-মেইলে চিটল বলেন, নিরাপত্তার গাফিলতির পুরো দায় আমি নিচ্ছি। সাম্প্রতিক ঘটনাবলির আলোকে ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমি পরিচালক পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
ট্রাম্পের সমাবেশে সংস্থাটির নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়ে গত সোমবার মার্কিন কংগ্রেসনাল কমিটির শুনানিতে সিক্রেট সার্ভিসের পরিচালক কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি হন।
এ সময় আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে চিটল বলেন, ১৩ জুলাই সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টার ঘটনা কয়েক দশকের মধ্যে সিক্রেট সার্ভিসের সবচেয়ে বড় অপারেশনাল ব্যর্থতা। স্পষ্টতই সেখানে একটি ভুল ছিল এবং এ ধরনের ঘটনা যাতে আর কখনো না ঘটে তা নিশ্চিত করতে আমরা সব ধরনের চেষ্টা করবো।
পেনসিলভানিয়ার হামলার শিকার হওয়ার সময় গুলিতে কান ফুটো হয়ে যায় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। কার্যত এই হামলায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন তিনি। এর পরপরই ট্রাম্পের নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি ম্যানহাটনে তার ব্যক্তিগত ভবন ট্রাম্প টাওয়ারের নিরাপত্তা ভবনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয় বলে সিবিসি নিউজ জানিয়েছে।
আগামী ৫ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। আসন্ন এই নির্বাচনে ডেমোক্রেট প্রার্থী জো বাইডেনের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্প। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই হামলা নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় ফেলতে পারে ব্যাপক প্রভাব। এই নির্বাচনের গতিপথও পাল্টে দিতে পারে।