তিনি বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং তার প্রশাসন গাজায় ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধ’ এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের সাথে জড়িত।
ন্যাটো সম্মেলনের সময় সংবাদমাধ্যম নিউজউইকের সাথে একটি সাক্ষাত্কারে এরদোয়ান এই কথা বলেন। এ সময় তিনি গাজার বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইসরায়েলের নৃশংস হত্যা, হাসপাতাল, সহায়তা কেন্দ্র এবং অন্যান্য স্থানে হামলার কথা তুলে ধরেন।
.png)
এরদোয়ান বলেন, যদিও মার্কিন প্রশাসন যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের বিষয়টি উপেক্ষা করছে তারপরও তারা ইসরায়েলকে সর্বাধিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছে। তারা ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে, আন্তর্জাতিক আইন লংঘনের জন্য ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে এবং কী ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে? এটাই এখন আসল প্রশ্ন এবং কেউ এর উত্তর দিচ্ছে না।
শুরু থেকেই ন্যাটো সদস্যভুক্ত তুরস্ক গাজায় ইসরায়েলের হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং ইসরায়েলের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ করেছে। গত ৭ অক্টোবর গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসন চালানোর পর থেকে হামাসের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রেখেছে তারা।
এছাড়া ইসরায়েলকে সমর্থন করার জন্য বারবার পশ্চিমা দেশগুলোর সমালোচনা করেছে এবং আন্তর্জাতিক আদালতে ইসরায়েলের শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
এদিকে গাজায় ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাসের বিরুদ্ধে সংঘাতে যুদ্ধাপরাধ করার অভিযোগ বরাবরই প্রত্যাখ্যান করে আসছে ইসরায়েল। বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টিও অস্বীকার করছে তারা।
সূত্র: রয়টার্স