১৪ মে নির্বাচনী প্রচারে অনুদান দাতাদের নিয়ে নিউ ইয়র্কে গোলটেবিলে বসেছিলেন ট্রাম্প। ওই বৈঠকে তিনি ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভ দমনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সোমবার ওয়াশিংটন পোস্ট এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমি একটা কাজ করব, যেকোনো শিক্ষার্থী প্রতিবাদ করলে আমি তাদের দেশ থেকে বের করে দেব। আপনারা জানেন, বিদেশি ছাত্র অনেক আছে। তারা এটি শোনার সাথে সাথেই আচরণ বদলে ফেলবে।’
.png)
বৈঠকে একজন দাতা অভিযোগ করেন, ক্যাম্পাসে আন্দোলনকারী অনেক ছাত্র ও অধ্যাপক একদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষমতার পদে অধিষ্ঠিত হতে পারে।
জবাবে ট্রাম্প বলেন, আপনারা যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, এবং আপনার সত্যিই এটি করা উচিত, যদি আপনারা আমাকে পুনরায় নির্বাচিত করেন, আমরা সেই আন্দোলনকে ২৫ বা ৩০ বছর পিছিয়ে দেব।
প্রসঙ্গত, গাজায় হামলা বন্ধ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের দাবিতে গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। নিউইয়র্কের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে শুরু হওয়া ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ এখন ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া ও এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অংশের ক্যাম্পাস এবং একাডেমিক প্রতিষ্ঠানেও ছড়িয়ে পড়েছে। বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা তাবু গেড়ে অবস্থানও নেয়।