নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, যদিও আমরা আত্মবিশ্বাসের সাথে বলতে পারি, দক্ষিণ ও কেন্দ্রে দুর্ভিক্ষের উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি রয়েছে তবে এখনো নেই। উত্তরে এর ঝুঁকি ও উপস্থিতি উভয়ই রয়েছে এবং সম্ভবত অন্তত কিছু অঞ্চলে দুর্ভিক্ষ রয়েছে।
জানা গেছে, ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ, যুদ্ধবিধ্বস্ত ও দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা ভূখণ্ড গাজার বাসিন্দাদের কাছে শিগগির খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করে দুর্ভিক্ষ ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ইসরায়েলকে আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)।
.png)
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, এমন সময়ে আইসিজে থেকে এই নতুন আদেশ এলো, যখন গাজায় হামলা বাড়িয়েছে ইসরায়েল। গতকাল শুক্রবার ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলের বাহিনীর হামলায় ৭১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে গত ৭ অক্টোবর থেকে ৩২ হাজার ৬২৩ জন নিহত হলো। এ ছাড়া আহত হয়েছে আরো ৭৫ হাজারের বেশি মানুষ।
এদিকে চলতি মাসের শুরুর দিকে খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈশ্বিক কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে দিয়ে জানিয়েছিল, গাজায় দুর্ভিক্ষ আসন্ন। উত্তর গাজায় এটি মে মাসের মধ্যে ঘটতে পারে এবং জুলাইয়ের মধ্যে ছিটমহলজুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অপুষ্টি এবং খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা সম্ভবত গাজার উত্তরে দুর্ভিক্ষের মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে এবং ক্ষুধা সংশ্লিষ্ট মৃত্যুর ঘটনা শিগগিরই ঘটতে পারে।