বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) তারা কায়রো ছেড়ে গেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, হামাসের প্রতিনিধি দল কায়রো ত্যাগ করলেও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির আলোচনা অব্যাহত থাকবে। সিদ্ধান্তে না পৌঁছানো পর্যন্ত এ আলোচনা চলবে। চুক্তিতে অগ্রগতির দুর্বলতার জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করেছেন হামাসের এক কর্মকর্তা।
.png)
পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার আগে ৪০ দিনের যুদ্ধবিরতির চুক্তি করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে সেটি আপাতত সম্ভব হয়নি।
কায়রোর এ আলোচনায় নিজেদের কোনো প্রতিনিধি পাঠায়নি দখলদার ইসরায়েল। তারা আলোচনার আগে হামাসের কাছে জীবিত ও মৃত ৪০ জিম্মির তালিকা চেয়েছিল। কিন্তু হামাস জানিয়েছিল, বোমা হামলার মধ্যে তাদের পক্ষে তালিকা তৈরি করা সম্ভব নয়। ফলে আলোচনায় আর যোগ দেয়নি ইসরায়েলের প্রতিনিধিরা।
নতুন যুদ্ধবিরতির আলোচনায় হামাস দাবি জানিয়েছিল, ইসরায়েলকে স্থায়ীভাবে সব হামলা বন্ধ করতে হবে। সাধারণ মানুষকে তাদের বাড়ি-ঘরে ফিরে যেতে দিতে হবে। কিন্তু ইসরায়েল এতে রাজি হয়নি।
তবে প্রতিনিধিরা কায়রো ছাড়ার পর একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি। এতে তারা বলেছে, নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পরামর্শ জন্য আজ সকালে আমাদের প্রতিনিধিরা কায়রো ছেড়েছে। আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে আগ্রাসন বন্ধ, বাস্তুচ্যুতদের নিজ বাড়িতে ফিরে যাওয়া এবং ত্রাণ সহায়তা পৌঁছানোর চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
মিশরের সংবাদমাধ্যম আল-কাহেরাকে হামাসের এক প্রতিনিধি জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে আবারও আলোচনা শুরু হবে।
যদি চুক্তি হতো, তাহলে হামাস ৪০ ইসরায়েলিকে মুক্তি দিত। এ বদলে দখলদার ইসরায়েল গাজায় পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তা পৌঁছতে দিত। এছাড়া তারা ৪০০ ফিলিস্তিনি বন্দিকে তাদের কারাগার থেকে মুক্তি দিত।
বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, চুক্তির ক্ষেত্রে যেসব আপত্তি ছিল সেগুলো নিষ্পত্তি করা হয়েছে এবং চুক্তি করা সম্ভব। তবে এটি শেষ পর্যন্ত হয়নি।