আগামী নভেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে। এই নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে লড়বেন বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
ট্রাম্প রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়ন পেলে আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তার সঙ্গে লড়াই হবে বাইডেনের।
.png)
নিউ হ্যাম্পশায়ারের ভোটে ট্রাম্পের একমাত্র প্রতিপক্ষ হিসেবে লড়াই করেন রিপাবলিকান পার্টির নিকি হ্যালি। সাউথ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের সাবেক গভর্নর হ্যালি নিউ হ্যাম্পশায়ারের ভোটে হেরে গেলেও লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন।
১৫ জানুয়ারি আইওয়া ককাসের মধ্য দিয়ে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী বাছাইয়ের প্রথম ধাপ শুরু হয়। আইওয়ায় বড় জয় পান ট্রাম্প।
আইওয়া ককাসে ভরাডুবির পরই রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়ন-লড়াই থেকে সরে দাঁড়ান ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিবেক রামাস্বামী। একই সঙ্গে তিনি ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন জানান।
তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মূল প্রতিদ্বন্দ্বি রিপাবলিকান নিকি হ্যালির সঙ্গে তার যে ব্যবধান তাতে পরিষ্কারভাবে জয়ের দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন তিনি। এদিকে নিকি হ্যালি অবশ্য বলেছেন, প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হতে লড়াই চালিয়ে যাবেন তিনি।
ভোটের পর ৫২ বছর বয়সী জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক দূত নিকি হ্যালি বলেন, প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হতে নির্বাচনের দৌড় এখনো শেষ হয়ে যায়নি। তিনি তার সমর্থকদের বলেন, ডেমোক্রেটরা জানে ট্রাম্পই হলেন একমাত্র ব্যক্তি, যাকে জো বাইডেন সহজেই হারাতে পারবেন।
নিকি হ্যালি ৭৭ বছর বয়সী ট্রাম্পের মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন শুধু বিশৃঙ্খলাই নিয়ে আসবে। তবে নিউ হ্যাম্পশায়ার নির্বাচনের ফলাফল ভিন্ন কথাই বলছে। ইতোমধ্যে রিপাবলিকান রানাওয়ে লিডার হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন ট্রাম্প। তাই নিজের রাজ্য সাউথ ক্যারোলাইনায় অবশ্যই নিকি হ্যালিকে জয়ী হতে হবে প্রেসিডেন্সিয়াল দৌড়ে টিকে থাকতে হলে।