ট্রেনের ওই কন্ডাক্টর বিড়ালটিকে ট্রেনের বগির মধ্যে হাঁটতে দেখেন। রাস্তার কোনো বিড়াল ভেবে তিনি বিড়ালটিকে জানালা দিয়ে তুষারের মধ্যে ছুঁড়ে ফেলে দেন। তবে ওই ট্রেনের এক যাত্রীর টুইক্স নামের পোষা বিড়াল ছিল এটি। তিনি যে খাঁচায় বিড়ালটিকে বহন করছিলেন; সেখান থেকে এটি বের হয়ে যায়।
এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর, কয়েক হাজার মানুষ কিরোভ রেলস্টেশনের আশপাশে টুইক্সের খোঁজ শুরু করেন। সে সময় ওখানকার তাপমাত্রা ছিল মাইনাস ৩০ সেন্টিগ্রেড। দীর্ঘ অভিযান শেষে তারা শনিবার বিড়ালটিকে মৃত অবস্থায় খুঁজে পাওয়া যায়।
.png)
যে নারী কর্মচারী বিড়ালটিকে বাইরে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলেন; তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রায় ৭ হাজার মানুষ একটি পিটিশনে স্বাক্ষর করেছেন। কারণ ওই রেলওয়ে কোম্পানি তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে অপারগতা প্রকাশ করে।
তবে রেলওয়ে কোম্পানিটি এ ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছে। তারা জানিয়েছে, ভবিষ্যতে যদি ট্রেনের ভেতর কোনো প্রাণী পাওয়া যায় তাহলে এটিকে বাইরে ছুড়ে না ফেলে নিকটস্থ স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হবে এবং পশু-পাখিদের নিয়ে কাজ করে এমন প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়া হবে।