বেইজিং এবং তাইপেইয়ের মধ্যকার সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই ১৩ জানুয়ারী তাইওয়ানে প্রেসিডেন্ট এবং সংসদীয় নির্বাচন অনিুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এদিকে স্বায়ত্তশাসিত তাইওয়ানের উপর সার্বভৌমত্ব দাবির লক্ষ্যে সামরিক চাপ বাড়িয়েছে চীন।
চীন তাইওয়ানকে তার ‘পবিত্র অঞ্চল’ বলে মনে করে এবং দেশটিকে চীনা নিয়ন্ত্রণে আনতে সবসময় শক্তির প্রয়োগ করে আসছে। তবে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ওই বক্তৃতায় সামরিক হুমকির কোনো উল্লেখ করেননি শি। ওই ভাষণে শি বলেছেন, মাতৃভূমির পুনর্মিলন একটি ঐতিহাসিক অনিবার্যতা।
.png)
তিনি আরো বলেছেন, তাইওয়ান প্রণালীর উভয় দিকের দেশপ্রেমিকদের একটি সাধারণ লক্ষ্যে আবদ্ধ হওয়া উচিত এবং তাদেরও চীনা জাতির পুনরুজ্জীবনের গৌরবে অংশীদার হওয়া উচিত।
এর আগে গত বছর শি শুধু বলেছিলেন, প্রণালীর উভয় পাশের মানুষেরা সবাই ‘এক এবং একই পরিবারের সদস্য’ এবং উভয় পক্ষের মানুষেরা ‘চীনা জাতির দীর্ঘস্থায়ী সমৃদ্ধির জন্য যৌথভাবে কাজ করবে’ বলে আশা ব্যক্ত করেছিলেন তিনি।