কলোরাডো সুপ্রিম কোর্টের ৭ জন বিচারকের একটি বেঞ্চ ৪-৩ ভোটে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এই রায় দেন। এ সময় তারা মার্কিন সংবিধানের ‘বিদ্রোহ’ সংক্রান্ত ধারাগুলোর আশ্রয় নেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো সাবেক প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে দেশটির সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর ধারা-৩ প্রয়োগ করে তাকে পুনরায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য অনুপযোগী বলে ঘোষণা করা হলো।
এর আগেও ট্রাম্পকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করার আরজি জানিয়ে বিভিন্ন রাজ্যের আদালতে আবেদন করা হয়েছিল কিন্তু সেসব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। আগামী এক মাস পর ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এই রায় কার্যকর হবে। এই সময়টুকু দেওয়া হয়েছে মূলত ট্রাম্পকে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ দেওয়ার জন্য। কলোরাডো সুপ্রিম কোর্টের এই রায় অন্য অঙ্গরাজ্যের জন্য প্রযোজ্য নয়।
.png)
কলোরাডো সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্যাপিটল হিল হামলায় প্ররোচনা দেওয়ার ক্ষেত্রে ট্রাম্পের যে ভূমিকা ছিল, সেজন্যই তার বিরুদ্ধে এই রায় দেওয়া হয়েছে। যদিও ট্রাম্পের প্রচার টিমের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে- চূড়ান্ত অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলোরাডোর সুপ্রিম কোর্ট।
কোলারোডার সুপ্রিম কোর্টের সেই ঐতিহাসিক রায়ের বিরুদ্ধে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে আপিল করতে চলেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। আর ট্রাম্প যাতে আবেদন করতে পারেন, সেজন্য কমপক্ষে আগামী ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত রায় কার্যকর হবে না বলে জানিয়েছে কোলারোডার সুপ্রিম কোর্ট।
তবে শুধুমাত্র কোলারাডোর ক্ষেত্রে সেই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। কিন্তু সেটার যে ফলাফল হবে, সেটার প্রভাব পড়তে পারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের উপর। আগামী ৫ নভেম্বর সেই নির্বাচন হবে। যদিও সংশ্লিষ্ট মহলের বক্তব্য, কোলারাডো থেকে এমনিতেই খুব একটা সুবিধা করতে পারবেন না ট্রাম্প। ফলে আইনি লড়াইয়ের ক্ষেত্রে ট্রাম্পের ভাগ্যে যাই থাকুক না কেন, তাতে ফলাফলের উপর খুব একটা প্রভাব পড়বে না। বরং সেখানে বাজিমাত করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।