প্রতিবেদনে বলা হয়, মণিপুরে অজ্ঞাত দুটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর মাঝে ভয়াবহ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা বলেছেন, মরদেহের পাশে কোনো ধরনের অস্ত্র পাওয়া যায়নি।
এই বন্দুকযুদ্ধ দুই সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যেই হয়েছে কিনা সে সম্পর্কে এখনো রাজ্য পুলিশ নিশ্চিত নয়। পুলিশ মনে করছে, এই সংঘর্ষের সঙ্গে গত সাত মাস ধরে চলা জাতিগত সংঘাতের কোনো সম্পর্ক নেই।
.png)
এর আগে গত ৩ মে জাতিগত সহিংসতার সূত্রপাত হয় মণিপুরে। এরপর থেকে কয়েক মাস ধরে রাজ্যজুড়ে দুই সম্প্রদায়ের মাঝে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে সংখ্যাগরিষ্ঠ মেইতি ও সংখ্যালঘু কুকি-জো সম্প্রদায়ের মাঝে।
মেইতি এবং কুকি সম্প্রদায়ের দাঙ্গা শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ১৮০ জনের প্রাণহানি এবং ৫০ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এই রাজ্যে ৩২ লাখ মানুষের বসবাস।