শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) দূতাবাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
রাজধানী দিল্লিতে আফগান দূতাবাসটি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে আফগানিস্তানের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির সরকার নিযুক্ত কর্মীদের দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছিল। চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর দূতাবাসের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
.png)
তবে এবার আফগান দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘ভারত সরকারের ক্রমাগত চ্যালেঞ্জ’-এর মুখে তারা দূতাবাস স্থায়ীভাবে বন্ধের সিন্ধান্ত নিয়েছে।
এক বিবৃতিতে আফগান দূতাবাস জানিয়েছে, ভারত সরকারের ক্রমাগত চ্যালেঞ্জের কারণে, নয়া দিল্লিতে আফগানিস্তানের দূতাবাস স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এর জন্য আমরা দুঃখিত।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ৩০ সেপ্টেম্বর দূতাবাসের কার্যক্রম বন্ধ করার সময় আফগানিস্তান সরকার আশা করছিল, দূতাবাসের স্বাভাবিক কার্যক্রম ফের চালু করার জন্য ভারত সরকার অনুকূল অবস্থান নেবে। কিন্তু আট সপ্তাহ অপেক্ষা করা সত্ত্বেও, আফগান কূটনীতিকদের ভিসা বাড়ানো হয়নি। ভারত সরকারের আচরণও পরিবর্তন হয়নি।
দূতাবাসের পক্ষ থেকে আরো বলা হয়েছে, দূতাবাসের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেওয়ার জন্য আফগানিস্তানের তালেবান সরকার ও ভারত সরকার দুই পক্ষই ক্রমাগত চাপ দিচ্ছিল। এই চাপের মুখে দূতাবাসকে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
ভারতে নিযুক্ত আফগান রাষ্ট্রদূত ফরিদ মামুনদাজে ও দূতাবাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা এরইমধ্যে নিরাপদে তৃতীয় দেশে চলে গেছেন।
২০২১ সালের আগস্টে আফগানিস্তানে ক্ষমতায় আসে তালেবান সরকার। তালেবান সরকারকে এখনো স্বীকৃতি দেয়নি ভারত। আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের আগে কাবুল থেকে নিজেদের কর্মীদের সরিয়ে নিয়েছিল ভারত। সেই থেকে আফগানিস্তানে কূটনৈতিক উপস্থিতি নেই দিল্লির। কিন্তু নয়া দিল্লির আফগান দূতাবাসে পূর্ববর্তী আফগান সরকারের নিযুক্ত কর্মীরা অবস্থান ছিলেন।
সূত্র: এনডিটিভি