প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলি বাহিনী পুরো হাসপাতাল এলাকা ঘেরাও করে এবং ওই এলাকায় বোমাবর্ষণ করে। অন্তত আটজন নিহত ও দুইজন ডাক্তার আহত হয়েছেন। এর পরপরই ওই হাসপাতালের কর্মীরা জাতিসংঘ এবং রেড ক্রসের কাছে জরুরি সাহায্যের জন্য আবেদন জানায়।
পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই ওই হাসপাতালে অতর্কিত হামলা চালানো হয়েছে বলে আল জাজিরাকে হাসপাতালের একটি মেডিকেল টিম।
.png)
গাজার গণমাধ্যম কর্মী সাফওয়াত আল-কাহলুত জানান, দেখে মনে হচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী আল-শিফা হাসপাতালে যা ঘটেছে তার পুনরাবৃত্তি করতে চলেছে এবং ইন্দোনেশিয়ান হাসপাতালও দখল করবে।
তিনি আরো বলেন, হামলার সময় জেনারেটরের বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়। বোমাবর্ষণের সময় মোবাইলের আলো ব্যবহার করে রোগীদের অপারেশন করেছে চিকিৎসকরা।