একই সাথে পশ্চিমা নেতারা মনে করছেন, যুদ্ধরত দু পক্ষের কেউই আত্মসমর্পণ বা পরাজয় মেনে নিতে রাজি নয়। ফলের শিগগিরই এই যুদ্ধ বন্ধ হবে -তারও কোনো লক্ষণ নেই।
সোমবার দ্যা ইকোনমিস্ট ম্যাগজিনের প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। ম্যাগাজিনটি বলছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে পাশ্চাত্যের গোলাবারুদের মজুদে টান পড়েছে এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে সমর্থন দিতে গিয়ে যে পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদের প্রয়োজন তা উৎপাদন করতে পশ্চিমা দেশগুলো হিমশিম খাচ্ছে। এরমধ্যে ইসরায়েল এবং হামাসের চলমান সংঘাত পশ্চিমা দেশগুলোর ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে।
.png)
ওয়াশিংটনে স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ সেন্টারের সিনিয়র উপদেষ্টা মার্ক ক্যানসিয়ান গত মাসে লিখেছিলেন, সময়ের সাথে সাথে, কিছু মূল সিস্টেম ইসরায়েলে সরিয়ে নেয়ার কারণে ইউক্রেনের যুদ্ধ ক্ষমতা কমে আসবে। এ সময় পাল্টা আক্রমণের জন্য ইউক্রেনের যেসব সিস্টেম প্রয়োজন, দেশটিকে তা ঠিকমতো সরবরাহ করা সম্ভব নাও হতে পারে।