গোয়া পুলিশের স্পেশাল ক্রাইম ব্র্যাঞ্চের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একটি বড় আন্তঃরাজ্য চক্রের হদিশ মিলেছে। গুজরাট থেকে যে চক্র চালাত দুই নারী। তারা গোয়া, মহারাষ্ট্র, গুজরাটের মতো জায়গায় সেই চক্র চালাত বলে গোয়া পুলিশের স্পেশাল ক্রাইম ব্র্যাঞ্চের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এসকর্ট সার্ভিস প্রদানের নাম করে অনলাইনে ক্লায়েন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করত নারীরা। তারপর ওই ক্লায়েন্টদের সঙ্গে গোয়ায় যেত। তাদের সঙ্গে হোটেলে থাকত। পরদিন বড় অঙ্কের টাকার দাবি করত। সেই টাকা না দিলে ভুয়া ধর্ষণের মামলা দায়েরের হুমকি দিত। যারা টাকা দিতেন না, তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলাও দায়ের করত।
.png)
সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে সম্প্রতি গুজরাটের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ওই ঘটনায় অভিযোগ উঠেছিল যে গোয়ার একটি হোটেলে ২৩ বছরের তরুণীকে ধর্ষণ করেছেন ওই ব্যক্তি। অপর একটি ঘটনায় মহারাষ্ট্রের এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছিল পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিল এক তরুণী। ওই তরুণীর বয়ানও রেকর্ড করা হয়েছিল। পরবর্তীতে যখন অভিযোগপত্রে স্বাক্ষর নিতে চায় পুলিশ, তখন তরুণী মামলা দায়ের করতে রাজি হয়নি।
গোয়া পুলিশের ডেপুট ইনস্পেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) তথা স্পেশাল ক্রাইম ব্র্যাঞ্চের বিশেষ দলের নজরদারির দায়িত্বে থাকা আসলাম খান জানিয়েছেন, ওই আন্তঃরাজ্য চক্রের হদিশ পেয়েছে পুলিশ। সেই চক্রের মাধ্যমে ‘ভালো দেখতে’ দরিদ্র পরিবারের মেয়েদের চিহ্নিত করা হত। ধর্ষণের ভুয়া মামলা দায়ের করতে তাদের টাকা দেয়া হত।
গোয়া পুলিশের ডেপুট ইনস্পেক্টর জেনারেল বলেন, ‘তরুণীরা বুঝতে পারে যে এই চক্রের মাধ্যমে সহজেই টাকা কামানো যাবে, তখন তারাও ওই চক্র ছাড়তে চাইত না। আর এটা ভয়ংকর চক্র। কেউ একবার ঢুকে পড়লে, সেখান থেকে বেরোতে পারত না।’
সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া