গাজা-ভিত্তিক এনডাউমেন্টস অ্যান্ড রিলিজিয়াস অ্যাফেয়ার্স মিনিস্ট্রি শনিবার এসব তথ্য জানিয়েছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজার বেশিরভাগ এলাকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় আরও কয়েক ডজন মসজিদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এতে বলা হয়, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান মন্ত্রণালয়ের সদর দফতর, মন্ত্রণালয়ের কোরআন রেডিও স্টেশন এবং একটি গির্জাও ধ্বংস করেছে।
.png)
গাজার উপর আগ্রাসন বন্ধ করতে এবং ইসরায়েলকে বেসামরিক মানুষ, মসজিদ এবং গীর্জায় অপরাধমূলক আচরণে দায়বদ্ধ করার এবং তাদের বিরুদ্ধে বাস্তব পদক্ষেপ নিতে বিশ্ববাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে গাজার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।রা।
উল্লেখ্য, গাজায় হামলার পাশাপাশি সর্বাত্মক অবরোধ আরোপ করেছে ইসরায়েল। তাদের হামলায় বাস্তুচ্যুত হয়েছে লাখ লাখ মানুষ। প্রতিদিনই মৃত্যু, আহত এবং বাস্তুচ্যুতির সংখ্যা বাড়ছে। এমন ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে আরো প্রকট সংকটের মুখে পড়তে পারে গাজাবাসী। সেখানে দেখা দিতে পারে, ডায়রিয়া, কলেরার মতো সংক্রামক রোগ।
অক্সফাম ও জাতিসংঘের সংস্থাগুলো সতর্ক করেছে, পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন পরিষেবা বিঘ্নিত হওয়ায় কলেরাসহ পানিবাহিত অন্য মারাত্মক সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়ছে সেখানে। দ্রুত জরুরি মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া না হলে গাজায় জনস্বাস্থ্যে বিপর্যয়কর পরিস্থিতি তৈরি হবে।