মঙ্গলবার ভারতের প্রধান বিচারপতি ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচূড় নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারকের সাংবিধানিক বেঞ্চ এ মামলার রায় ঘোষণা করে।
প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেছেন, একজন ব্যক্তির জুটি বাঁধার অধিকারকে কেবল তার লিঙ্গ পরিচয়ের ভিত্তিতে সীমাবদ্ধ করে দেওয়া উচিত নয়। বিবাহ নামের প্রতিষ্ঠানটিও অনড়, অটল কোনো বিষয় নয়। বিয়ের ধারণা বদলায়। এ নিয়ে দেশে দেশে সার্বজনীন কোনো আইনও নেই। তবে কোনো দেশে বিয়ে নিয়ে কেমন আইন হবে, সেটা একান্তই পার্লামেন্টের এখতিয়ার।
.png)
সে কারণে সরকারে প্রস্তাবে সায় দিয়ে আদালত একটি কমিটি করতে বলেছে, যে কমিটি সমলিঙ্গের জুটিদের সামাজিক এবং আইনি বিভিন্ন অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করবে।