ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র জোনাথন কনরিকাস এক ব্রিফিংয়ে বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী গাজার আশেপাশের সব মানুষকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। কারণ আমরা যুদ্ধ অঞ্চলের কাছাকাছি বেসামরিক লোক চাই না।
এদিকে, ইসরায়েলের নির্বিচারে বিমান হামলায় ধ্বংসস্তুপে পরিণত হওয়া গাজায় বাস্তুচ্যুত হয়েছে প্রায় ১০ লাখ মানুষ। ইসরায়েলের অব্যাহত বিমান হামলায় গাজা উপত্যকায় বন্ধ বিদ্যুৎ, গ্যাস, খাবার ও পানির সরবরাহ। এতে চরম সংকটে পড়েছেন গাজাবাসী। পানিই জীবন- অথচ গাজায় এখন পানির জন্য হাহাকার।
.png)
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, জীবন রক্ষাকারী পানির জন্যই কঠিন লড়াই করতে হচ্ছে গাজার বাসিন্দাদের। গোসল করলে খাওয়ার পানি পাওয়া যাচ্ছে না। টয়লেটে যেতে হলে দাঁড়াতে হচ্ছে লম্বা লাইনে। গাজায় খাদ্য সরবরাহের পথও পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল।
প্রাণ হাতে নিয়ে ঘরবাড়ি ছেড়ে গাজার দক্ষিণ দিকের শহরে চলে যাচ্ছেন ৪৩ বছর বয়সী আহমেদ হামিদ। সংবাদ সংস্থা এএফপি-কে তিনি বলেন, দিনের বেলা আমরা গোসল করতে পারছি না। এমনকি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে হলেও আমাদের লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।