গত বুধবার ভোরে সিকিমে বৃষ্টি শুরু হয়। অতিবৃষ্টিতে সিকিমের উত্তরাঞ্চলে লোনাক হ্রদের পানি অনেক বেড়ে যায়। এর প্রভাব পড়ে তিস্তা নদীর ওপর। এছাড়া চানথাং বাঁধের অতিরিক্ত পানি ছেড়ে দিলে তিস্তা নদীর ভাটিতে পানির উচ্চতা ১৫ থেকে ২০ ফুট বেড়ে বন্যা দেখা দেয়।
এবারের আকস্মিক বন্যায় সিকিমের ১১টি সেতু ধ্বংস হয়েছে। এদের মধ্যে মাঙ্গান জেলার ৮টি, নামচিতে দুটি এবং গ্যাংটকের একটি। বন্যায় চার জেলার পানির পাইপলাইন, স্যুয়ারেজ লাইন এবং ২৭৭টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
.png)
সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর সিকিমে বুধবারের আকস্মিক বন্যার পর থেকে নিখোঁজ থাকা ১৪২ জনের বেঁচে থাকার আশা ম্লান হয়ে গেছে। কারণ একের পর একে মরদেহ ভেসে আসছে তিস্তা উপকূলে। রোববারও তিস্তার উপকূলে আরো নয়টি মৃতদেহ ভেসে গেছে।
এদিকে জলপাইগুড়ির এসপি খণ্ডবাহালে উমেশ গণপত জানিয়েছেন যে, জেলায় ৩৯টি মৃতদেহ পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ১০টি শনাক্ত করে কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসব মরদেহের মধ্যে ছয় সেনা সদস্যের মরদেহ রয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান তিনি।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, গত ছয় দিনে ৫ হাজারেরও বেশি মানুষকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে এবং এখনও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে উত্তর সিকিমের কিছু অংশ রাজ্যের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন রয়েছে।